গতকাল ঢাকায় কোটা আন্দোলনের প্রতিবেদন


04 আগস্ট, 2024:

সরকার বিরোধী আন্দোলন


গতকালের কোটা আন্দোলনে বাংলাদেশ জুড়ে চরম উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে। আন্দোলনের মূল কারণ হলো সরকারের নতুন কোটা বিতরণের সিদ্ধান্ত, যা শিক্ষার্থীরা মেনে নিতে পারছে না।

গতকালের কোটা আন্দোলনে মোট নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ১০৫ জন। দেশজুড়ে সংঘর্ষের ফলে এই প্রাণহানি ঘটে, যার মধ্যে বেশ কিছু পুলিশ সদস্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন [[❞]]

ঢাকা ও চট্টগ্রামে সংঘর্ষ:


ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের ছাত্র ফারহান ফাইয়াজ নিহত হয়। এছাড়া, উত্তরা এলাকায় সংঘর্ষে কমপক্ষে চারজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয় [[❞])।


আন্দোলনের বিস্তার:


আন্দোলনের ফলে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিরতা দেখা দেয়। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী শাহ আমানত ব্রিজ এলাকায় সংঘর্ষে তিনজন শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া, বাড্ডায় কানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাদ থেকে র‍্যাব হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৬২ জন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়, যাদেরকে আন্দোলনকারীরা আটকে রেখেছিল [[❞]]

ইন্টারনেট ও যোগাযোগ বন্ধ:


আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে সরকার দেশের ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়, যার ফলে বাংলাদেশ কার্যত বিশ্বের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই পরিস্থিতির ফলে, বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ আহত হয় এবং হাসপাতালে ভর্তি হয় [[❞]]


আন্দোলনকারীদের দাবী:


আন্দোলনকারীরা সরকারের নতুন কোটা ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তারা সরকারের বিরুদ্ধে excessive force ব্যবহারের অভিযোগ করেছে এবং একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোটা বিতরণ নিয়ে কোন সমস্যা না হয় [[❞]]


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া এই আন্দোলন ও সংঘর্ষ দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ছাত্র আন্দোলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি এখনও বহাল রয়েছে।